স্টিফেন হকিং:পক্ষাঘাত থেকে কৃষ্ণবিবর।

আজ ৮ ই জানুয়ারি।পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর জন্মদিন।

আজকে জানবো স্টিফেন হকিং কে।
স্টিভেন উইলিয়াম হকিং একজন ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, বিশ্বতাত্ত্বিক ও বিজ্ঞান-বিষয়ক জনপ্রিয় ধারার লেখক। তাঁকে ২০শ শতকের অন্যতম সেরা তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়। হকিং যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক মহাবিশ্বতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান ছিলেন।

 

স্টিফেন উইলিয়াম হকিং জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪২ সালের ৮ ই জানুয়ারী যুক্তরাষ্ট্রের অক্সফোর্ডে।তিনিও আইজ্যাক নিউটনের মতো ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে পড়েছেন।এমএ করেছেন সেখান থেকে।আর অক্সফোর্ড থেকে বিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।তিনি মূলত পরিচিত ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহবরের কারণে।

 

তাছাড়া তিনি হকিং বিকিরণ,পেনরোজ-হকিং তত্ত্ব,বেকেনস্টাইন-হকিং সূত্র
,হকিং শক্তি,গিবন্স–হকিং আনসাৎজ,গিবন্স–হকিং প্রভাব,গিবন্স–হকিং মহাশূন্য,গিবন্স–হকিং–ইয়র্ক বাউন্ডারি টার্ম,থর্ন–হকিং–প্রেস্কিল বাজি
তত্ত্বীয় সৃষ্টিতত্ত্ব,কোয়ান্টাম মহাকর্ষেও অবদান রেখেছন।প্রথম স্ত্রী জেন ওয়াইল্ডকে বিয়ে করেন ১৯৬৫ সালে আর বিচ্ছেদ ঘটে ১৯৯৫ তে।তার দ্বিতীয় স্ত্রী এলেন মেসন বিয়ে করেন ১৯৯৫ সালে।হকিং এর সন্তানসন্ততি ছিলো ৩ জন।

 

হকিং ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড নগরীতে একটি চিকিৎসক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৯ সালে অক্সফোর্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ নামক প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষাজীবন শুরু করেন এবং ১৭ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণীতে সম্মানসহ কলাবিদ্যায় স্নাতক উপাধি অর্জন করেন। এরপর তিনি ১৯৬২ সালে ক্যামব্রিজ নগরীতে ট্রিনিটি হলে স্নাতোকত্তর পর্যায়ের অধ্যয়নকর্ম শুরু করেন এবং সেখান থেকে ১৯৬৬ সালে ফলিত গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে ডক্টরেট উপাধি করেন, যেখানে তাঁর গবেষণার বিশেষায়িত ক্ষেত্র ছিল সাধারণ আপেক্ষিকতা ও বিশ্বতত্ত্ব।

 

১৯৬৩ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে হকিংয়ের দেহে ধীরগতিতে অগ্রসরমান একপ্রকার চেষ্টীয় স্নায়ুকোষ রোগের প্রারম্ভিক জীবনকালীন সূত্রপাত নির্ণয় করা হয়, যে রোগের নাম পেশীক্ষয়কারী পার্শ্বিক কাঠিন্য রোগ (এমায়োট্রফিক ল্যাটারাল স্ক্লেরোসিস) বা লু গেরিগের রোগ। রোগটির কারণে হকিং পরবর্তী দশকগুলিতে ধীরে ধীরে ক্রমাগত উত্তরোত্তর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তবুও বহু বছর যাবৎ তিনি তার গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যান। এক পর্যায়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলার পরও তিনি এক ধরনের ভাষা-উৎপাদনকারী যন্ত্রের সাহায্যে অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতেন।

 

প্রথমে হাতে রাখা একটি সুইচের মাধ্যমে এবং শেষ পর্যন্ত গালের একটিমাত্র পেশীর সাহায্যে তিনি যন্ত্রটি পরিচালনা করতেন।

তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে হকিংয়ের প্রধান অবদান দুইটি। প্রথমত তিনি সতীর্থ রজার পেনরোজের সঙ্গে মিলে সাধারণ আপেক্ষিকতার প্রসঙ্গকাঠামোর ভেতরে মহাকর্ষীয় অদ্বৈত অবস্থান সংক্রান্ত কিছু উপপাদ্য প্রদান করেন, যাদের নাম পেনরোজ-হকিং অদ্বৈত অবস্থান উপপাদ্যসমূহ। দ্বিতীয়ত তিনি অনিশ্চয়তার তত্ত্ব কৃষ্ণগহ্বর-এর ঘটনা দিগন্তে প্রয়োগ করে দেখান যে কৃষ্ণগহ্বর থেকে কণাপ্রবাহ বিকিরিত হয়।

এই বিকিরণকে বর্তমানে হকিং বিকিরণ (অথবা কখনো কখনো বেকেনস্টাইন-হকিং বিকিরণ) নামে অভিহিত করা হয়।এছাড়া হকিং প্রথম বিজ্ঞানী হিসেবে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব ও কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের একীভবনের মাধ্যমে একটি বিশ্বতত্ত্ব নির্মাণের প্রচেষ্টা চালান। তিনি কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের বহু-বিশ্ব ব্যাখ্যার বলিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।

হকিং জনপ্রিয় ধারার বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করে বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জন করেন। এই গ্রন্থগুলিতে তিনি তঁর নিজের তত্ত্ব ও বিশ্বতত্ত্ব নিয়ে সাধারণ আলোচনা করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থ কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (আ ব্রিফ হিস্টরি অব টাইম) ব্রিটিশ দ্য সানডে টাইমস পত্রিকার সর্বোচ্চ বিক্রিত বইয়ের তালিকায় রেকর্ড ভঙ্গকারী ২৩৭ সপ্তাহ সময়কাল ধরে বিদ্যমান ছিল। তিনি রয়্যাল সোসাইটি অব আর্টসের সম্মানিত সভ্য বা ফেলো এবং পন্টিফিক্যাল একাডেমি অব সায়েন্সের আজীবন সদস্য ছিলেন।২০০৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার “প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম” (রাষ্ট্রপতির মুক্তি পদক) খেতাবে ভূষিত হন। ২০০২ সালে ব্রিটিশ গণমাধ্যম সংস্থা বিবিসি পরিচালিত যুক্তরাজ্যের ইতিহাসের “সেরা ১০০ যুক্তরাজ্যবাসী” (“হান্ড্রেড গ্রেটেস্ট ব্রাইটন্‌স”) নামক জরিপে তিনি ২৫তম স্থান অধিকার করেন। দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশী সময়কাল ধরে চেষ্টীয় স্নায়ুকোষ রোগে ভোগার পরে হকিং ২০১৮ সালের ১৪ই মার্চ তারিখে ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

 

স্টিফেন হকিং এর কিছু মজার ঘটনাবলিঃ

 

১.”একটি পুরোনো বাজিতে পরাজয়।”

১৯৯৭ সালে ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণ গহ্বরের বিষয়ে একটি বাজি ধরেছিলেন স্টিভেন হকিং। বাজিতে তার পক্ষে ছিলেন আর এক পদার্থ বিজ্ঞানী কিপ থর্ন এবং অন্য পক্ষে ছিলেন জন প্রেস্কিল। পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে এই বাজি “থর্ন-হকিং-প্রেস্কিল বাজি” নামে পরিচিত। প্রফেসর হকিং এবং থর্ন যুক্তি দেখালেন যে, যেহেতু সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ অনুসারে কৃষ্ণগহ্বর তার ঘটনা দিগন্তের ভেতরের কোনো কিছুই বাইরে আসতে দেয়না, এমনকি সেখান থেকে আলো পর্যন্ত বের হতে পারে না সেহেতু হকিং বিকিরণের মাধ্যমে বস্তুর ভর-শক্তির যে তথ্য পাওয়া যায় তা কোনো ক্রমেই কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরের তথ্য নয়, তা নতুন, এবং যেহেতু এটি আবার কোয়ান্টাম বলবিদ্যার সাথে সাংঘর্ষিক সেহেতু কোয়ান্টাম বলবিদ্যা নতুন করে লেখা প্রয়োজন। অপরপক্ষে জন প্রেস্কিল যুক্তি দেখালেন , যেহেতু কোয়ান্টাম বলবিদ্যা বলে যে, এই তথ্য কৃষ্ণগহ্বর দ্বারা উৎসারিত এমন তথ্য যা কৃষ্ণগহ্বরের প্রথম দিককার কোনো অবস্থা নির্দেশ করে এবং সেহেতু সাধারণ অপেক্ষবাদ দ্বারা নির্ণীত কৃষ্ণগহ্বরের চলতি ধারণায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন পরে ২০০৪ সালে হকিং স্বীকার করেন যে তিনি বাজিতে হেরেছেন এবং মন্তব্য করেন যে, কৃষ্ণগহ্বরের উচিত তার দিগন্ত ভেঙে তথ্য নির্গমন করা এবং এটা করার জন্য তিনি মজা করে জন প্রেসকিল কে বেসবল সম্পর্কিত একটি সম্পূর্ণ বিশ্বকোষ উপহার দিয়েছিলেন যা প্রেস্কিলের কাছে হকিংয়ের মতে কৃষ্ণগহ্বর থেকে পাওয়া তথাকথিত তথ্যের মত অকাজের ঈঙ্গিতবহ। তবে কিপ থর্ন পরাজয় মানেননি এবং বাজিতে তার অংশের পুরস্কার দিতে রাজি হননি।

কম্পিউটার সিমুলেশন এর মাধ্যমে দেখা গেছে যে পঞ্চম বা ততোধিকমুখী একধরনের চিকন বৃত্তাকৃতির কৃষ্ণগহ্বর কালক্রমে তার বৃত্তের ওপর অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃষ্ণগহ্বরের জন্ম দিচ্ছে যার ফলে আইনস্টাইনের সাধারণ অপেক্ষবাদ ভেঙে পড়েছে।ঘটনা দিগন্তের বাইরে অবস্থিত কৃষ্ণগহ্বরের এ ধরনের উপসর্গ বা “Naked Singularity” খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কেননা বাইরে থেকে তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

 

২.মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা।

১৯৮৫ সালে একবার হকিং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।উনার চিকিৎসকরা উনার কষ্ট দেখে লাইফ সাপোর্ট থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন।সে যাত্রায় বেঁচে গিয়ে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।

 

 

হকিং এর ব্যাক্তিগত মতাদর্শঃ

 

১.মানবজাতির ভবিষ্যৎ

২০০৬ সালে হকিং ইন্টারনেটে প্রশ্ন রাখেন: “রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে বিশৃঙ্খল এই পৃথিবীতে, মানবজাতি কীভাবে আরও ১০০ বছর ঠিকে থাকবে?” পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেন, “আমি এর উত্তর জানি না। এজন্যই আমি এই প্রশ্নটি করেছি, যাতে মানুষ এই বিষয় নিয়ে ভাবে এবং এখন আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি তা সম্পর্কে সতর্ক থাকে।”
হকিং উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন হঠাৎ পারমাণবিক যুদ্ধ, ভাইরাস, বিশ্ব উষ্ণায়ন, বা মানুষ ভাবেনি এমন বিপদ থেকে পৃথিবীতে মানুষ ও অন্যান্য প্রজাতির জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে। যদি মানবজাতি অন্য কোন গ্রহে উপনিবেশ স্থাপন করতে পারে, তাহলে গ্রহ-ব্যাপী দুর্যোগের ফলে মানুষ বিলুপ্ত হবে না।হকিং বিশ্বাস করেন মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য মহাশূন্যে ভ্রমণ ও মহাশূন্যে উপনিবেশ স্থাপন করার প্রয়োজন।

 

 

২.বিজ্ঞান বনাম দর্শন

২০১১ সালে গুগলের জেইটজিস্ট সম্মেলনে হকিং বলেন “দর্শন মৃত”। তিনি মনে করেন দার্শনিকগণ “বিজ্ঞানের আধুনিক বিকাশের সাথে তাল মিলাতে পারেননি” এবং বিজ্ঞানীরা “আমাদের জ্ঞানের ক্ষুদা মেটাতে আবিষ্কারের আলোকবর্তিকা বহনকারী হয়ে ওঠেছেন”। তিনি বলেন দর্শন বিষয়ক সমস্যার সমাধান বিজ্ঞান দিয়ে দেওয়া সম্ভব, বিশেষ করে মহাবিশ্বের নতুন ও খুবই ভিন্ন রকমের চিত্র তুলে ধরতে নতুন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বসমূহের ক্ষেত্রে এবং মহাবিশ্বে আমাদের অবস্থান” সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান প্রদান সম্ভব।

 

 

৩.ধর্ম বিশ্বাস

নিজের বই বা বক্তৃতায় নানা প্রসঙ্গে হকিং “ঈশ্বর” শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তার স্ত্রীসহ অনেকে তাকে একজন নাস্তিক হিসাবে বর্ণনা করলেও হকিং নিজে মনে করেন তিনি “সাধারণ অর্থে ধার্মিক নন” এবং তিনি বিশ্বাস করেন “দুনিয়া বিজ্ঞানের নিয়ম মেনেই চলে। এমন হতে পারে নিয়মগুলো ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন কিন্তু তিনি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানোর জন্য কখনো হস্তক্ষেপ করেন না”।

 

পুরষ্কার ও সম্মাননাঃ

২০০৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বীয় কসমোলজি কেন্দ্রে হকিংয়ের একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়। প্রয়াত শিল্পী আয়ান ওয়াল্টার এটি তৈরি করেন।২০০৮ সালের মে মাসে হকিংয়ের আর একটি আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে অবস্থিত আফ্রিকান ইনস্টিটিউট অব ম্যাথমেটিক্যাল সায়েন্সের সামনে। মধ্য আমেরিকার দেশ এল সালভাদর তাদের রাজধানী সান সালভাদরে বিজ্ঞান জাদুঘরটির নাম হকিংয়ের নামে রেখেছে।
এছাড়া তিনি তার কর্মক্ষেত্রে অবদানের জন্য নিম্নোক্ত পদক ও পুরস্কার অর্জন করেছেন।

 

১.অ্যাডামস পুরস্কার (১৯৬৬)

২.এডিংটন পদক (১৯৭৫)

৩.ম্যাক্সওয়েল পদক ও পুরস্কার (১৯৭৬)

৪.গাণিতিক পদার্থবিদ্যায় ড্যানি হাইনম্যান পুরস্কার (১৯৭৬)

৫.হিউ পদক (১৯৭৬)

৬.আলবার্ট আইনস্টাইন পদক (১৯৭৮)

৭.রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির স্বর্ণ পদক (১৯৮৫)

৮.ডিরাক পুরস্কার (১৯৮৭)

৯।উলফ পুরস্কার (১৯৮৮)

১০.প্রিন্স অব অ্যাস্টুরিয়াস পুরস্কার (১৯৮৯)

১১.অ্যান্ড্রু গেম্যান্ট পুরস্কার (১৯৯৮)

১২.নেলর পুরস্কার ও লেকচারশিপ (১৯৯৯)

১৩.লিলিয়েনফেল্ড পুরস্কার (১৯৯৯)

১৪.রয়্যাল সোসাইটি অব আর্টসের আলবার্ট পদক (১৯৯৯)

১৫.কপলি পদক (২০০৬)

১৬.প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম (২০০৯)

১৭।ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্স পুরস্কার (২০১২)

১৮.বিবিভিএ ফাউন্ডেশন ফ্রন্টিয়ারস অব নলেজ পুরস্কার (২০১৫)

 

স্টিফেন হকিং এর তাত্ত্বিক প্রকাশনাসমূহঃ

১.কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (A Brief History of Time) (১৯৮৮)

২.কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা (Black Holes and Baby Universes and Other Essays) (১৯৯৩)

৩.দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল (The Universe in a Nutshell) (২০০১)

৪.অন দ্য সোল্ডার্স অব জায়ান্টস (On the Shoulders of Giants)(২০০২)

৫.গড ক্রিয়েটেড দ্য ইন্টিজার্স: দ্য ম্যাথমেটিক্যাল ব্রেকথ্রুস দ্যাট চেঞ্জড হিস্ট্রি (God Created the Integers: The Mathematical Breakthroughs That Changed History) (২০০৫)

৬.[দ্য ড্রিমস দ্যাট স্টাফ ইজ মেড অফ: দ্য মোস্ট অ্যাস্টাউন্ডিং পেপার্স অব কোয়ান্টাম ফিজিক্স অ্যান্ড হাউ দে শুক দ্য সায়েন্টিফিক ওয়ার্ল্ড]] (The Dreams That Stuff Is Made of: The Most Astounding Papers of Quantum Physics and How They Shook the Scientific World) (২০১১)

৭.মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (My Brief History) (২০১৩)

হকিং এর চলচ্চিত্র ও ধারাবাহিকঃ-

১.আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম (১৯৯৩)

২.স্টিভেন হকিংস ইউনিভার্স (১৯৯৭)

৩.হকিং – বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ অভিনীত বিবিসির ২০০৪ সালের টেলিভিশন চলচ্চিত্র।

৪.হরাইজন: দ্য হকিং প্যারাডক্স (২০০৫)

৫.মাস্টার্স অব সায়েন্স ফিকশন (২০০৭)

৬.স্টিভেন হকিং অ্যান্ড দ্য থিওরি অব এভরিথিং (২০০৭)

৭.স্টিভেন হকিং: মাস্টার অব দ্য ইউনিভার্স (২০০৮)

৮.ইনটু দ্য ইউনিভার্স উইথ স্টিভেন হকিং (২০১০)

৯.ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড উইথ স্টিভেন হকিং (২০১১)

১০.স্টিভেন হকিংস গ্র্যান্ড ডিজাইন (২০১২)

১১.দ্য বিগ ব্যাং থিওরি (২০১২, ২০১৪ ও ২০১৭)

১২.স্টিভেন হকিং: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব মাইন (২০১৩)

১৩.দ্য থিওরি অব এভরিথিং – এডি রেডমেইন অভিনীত ২০১৪ সালের চলচ্চিত্র।

১৪.জিনিয়াস বাই স্টিভেন হকিং (২০১৬)

 

 

ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস অফ স্টিফেন হকিংঃ

১.স্টিফেন হকিং পড়ুয়া পরিবার থেকে এসেছেন।তার বাবা মা দুইজনই অক্সফোর্ডের গ্র্যাজুয়েট।

২.কৈশোরে থাকাকালীম হকিং এবং তার বন্ধুরা মিলে পুরাতন ঘড়ি আর বাড়িতে পড়ে থাকা পুরাতন জিনিসপত্র দিয়ে কম্পিউটার তৈরি করে ফেলেছিলেন।এই ঘটনা দেখে তার বন্ধুরা তাকে “আইনস্টাইন” নাম দিয়েছিলো।

৩.মাত্র সতেরো বছর বয়সেই অক্সফোর্ডে পড়াশুনা শুরু করেন।তার কাছে নাকি পদার্থিবিজ্ঞান আর রসায়নের মত সাবজেক্ট নিতান্তই সহজ লাগতো।পরে তিনি কসমোলজি নিয়ে পড়াশুনা করেছেন।

৪.মাত্র ২১ বছর বয়সেই মটর নিউরণ রোগে ভুগতে শুরু করেন।

৫.১৯৮৫ তে তিনি মরতে বসেছিলেন,কিন্তু সে যাত্রায় বেঁচে যান।

৬.ডাক্তাররা উনাকে বলেছিলেন উনি ২০০০ সালের আগেই মারা যাবেন,কিন্তু তিনি ২০১৮ পর্যন্ত বেঁচেছিলেন।

৭.তিনি বিজ্ঞাননিয়ে অদ্ভুত ধরণের বাজি ধরতেন।আবার অনেকগুলো হারতেনও।

 

হকিং এর কিছু বিখ্যাত উক্তিঃ

 

Intelligence is the ability to adapt to change.”

Life would be tragic if it weren’t funny.”

“I have no idea. People who boast about their IQ are losers.”

To confine our attention to terrestrial matters would be to limit the human spirit.”

Science is not only a disciple of reason but, also, one of romance and passion.”

It matters if you just don’t give up.”

Not only does God play dice, but… he sometimes throws them where they cannot be seen.”

We only have to look at ourselves to see how intelligent life might develop into something we wouldn’t want to meet.”

People won’t have time for you if you are always angry or complaining.

My goal is simple. It is a complete understanding of the universe, why it is as it is and why it exists at all”

তথ্যসূত্রঃউইকিপিডিয়া,history.com,goodreads,quora

 

 

লিখাঃ-শিহান মাহফুজ।

Invest in Social

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *