বিবর্তনঃ ভাবুন আরো একবার

পরামর্শঃ যাচাই না করে আমার কথা এক বর্ণও বিশ্বাস করবেন না। পড়ার পর সব তথ্য অবশ্যই যাচাই করে নিন।

অনুরোধঃ পুরোপুরি না পড়েই কোন উপসংহারে চলে যাবেন না প্লীজ।

আজকে আমি একটি গল্প বলবো। গল্পের প্রধান চরিত্র আপনি। গল্পের প্রয়োজনে ধরুন আপনি ও আপনার আশেপাশের মানুষজন একেকজন সুপারম্যান। অনেক সময়সাপেক্ষ কাজ খুব অল্প সময়ে করতে পারেন।

ক.
শুরুটা খুবই ছোট্ট একটি প্রশ্ন নিয়ে। প্রাণীবিজ্ঞান বইয়ে একটা তথ্য আপনাকে চিন্তায় ফেলে দিলো। তিমি পানিতে থাকে অথচ স্তন্যপায়ী। সে ডিম না পেরে বাচ্চা প্রসব করে।

Image 1

দেখতেও মাছের মত অথচ এমন আজব বৈশিষ্ট্য কেন? আপনার জিজ্ঞাসু মন এটা চিন্তা করতে করতে আপনাকে নিয়ে গেলো ভ্রুণবিশেষজ্ঞ এক বড় ভাইয়ের কাছে।

খ,
আপনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, “বস, তিমির ভ্রুণের একটা স্যাম্পল দেখাতে পারবেন?” উনি বললেন, “মশকরা করস? তিমির বাচ্চা সম্পর্কে আইডিয়া আছে তোর? জন্মের সময় তিমির বাচ্চা লম্বায় হয় ২৩ ফুট আর ওজন হয় ২৫০০ কেজি। তারচেয়ে বরং ডলফিনেরটা দেখাতে পারি।

ডলফিনের ভ্রুণ
Image 2: ডলফিনের ভ্রুণ

ডলফিনও Cetacean গোত্রের। তিমির মতই স্তন্যপায়ী, বাচ্চা প্রসব করে। তবে হ্যাঁ, ১৯৩৬ সালের খুব দুঃষ্প্রাপ্য একটা ছবি আছে আমার কাছে, এটা দেখ।“ দেখে আপনার চোয়াল ঝুলে পড়লো।

আরে! এতো দেখি স্থলচর প্রাণীদের মতই প্রায়! ওইযে হালকা হাত,পা ও লেজের মতন কি যেন দেখা যায়!

ওই দেখা যায় হাত পা!
Image 3: ওই দেখা যায় হাত পা!

গ)
আপনি একটু চিন্তায় পড়ে ভাবলেন তিমির দেহের গঠনটা আরেকটু ভালোভাবে বোঝা দরকার। আপনি গেলেন শরীরতত্ত্ববিদ এক বড় বোনের কাছে। আপনাকে আপনার বোন সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলেন।

তিমি দেখতে মাছের মত হলেও মাছ নয়। স্তন্যপায়ী, বাচ্চা প্রসব করে ও উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট। মাছ যেরকম ফুলকা দিয়ে শ্বাস নেয়, তিমি সেভাবে নেয় না। তিমি ব্যবহার করে ফুসফুস।

তিমির যদিও নাক নেই, কিন্তু নাকের ছিদ্রের মত দুটো ছিদ্র আছে যেগুলো দিয়ে নিঃশ্বাস নেয়। আবার তিমির গায়ে আঁশও নেই। এই ছবিতে দেখ, খুব ছোট ছোট লোম দেখা যাচ্ছে!” আপনার বোন বললেন, “দাঁড়া তোকে একটা জিনিস দেখাই” এরপর নিয়ে আসলেন বিশালাকার একটি হৃদপিন্ডের ছবি।

তিমির হৃদপিন্ড
Image 4: তিমির হৃদপিন্ড

এই হৃদপিন্ডের ওজন প্রায় ৪০০ পাউন্ড! (১৮১ কেজি) স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মতই চার-প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট! এরপর তিনি আপনাকে তিমির হাড়ের গঠন দেখালেন। আরেহ! হাড় দেখে তো মাছের হাড় মনে হচ্ছে না! মানুষের হাতের মতই হিউমারাস, রেডিয়াস, আলনা,কারপাল, মেটাকারপাল ও ফ্যালাঞ্জেস আছে!

Basilosaurid Hind Limb
Image 5: Basilosaurid Hind Limb

নীচে (লাল চিহ্নিত অংশ) ওইটা আবার কিসের হাড়? আপনার বোন তখন আপনাকে সেই হাড়ের রিয়েল লাইফ ছবি দেখালেন।

আধুনিক তিমির hindlimb
Image 6: আধুনিক তিমির hindlimb

আপনি অবাক হয়ে দেখলেন অপরিণত ও অনেক ছোট হিপ বোন (১), বল জয়েন্ট ও সকেট (২), থাই বোন (৩) ও শিন বোন (৪)। এগুলো এখন আর ব্যবহারের উপযুক্ত নয়, অনেকটা যেন জোর করে জুড়ে রাখা হয়েছে!

তিমি এবং মানুষের forelimb এর হাড়ের তুলনামূলক চিত্র।
তিমি এবং মানুষের forelimb এর হাড়ের তুলনামূলক চিত্র।

ঘ)
বাসায় আপনি খুব চিন্তিতভাবে ফেরত আসলেন। রাতে শুয়ে শুয়ে ঘুম আসছে না আপনার। সবকিছু মেনে নিলেও সেই অপরিণত পায়ের হাড়ের কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছেন না।

Basilosaurid এর দুইটি প্রজাতির চিত্র।
Image 7: Basilosaurid এর দুইটি প্রজাতির চিত্র।

ওই হাড়টা ওইখানে কেন? কি দরকার ওই হাড়টার? তবে কি অতীতে তিমি হাঁটতে পারতো? এরকম কি হতে পারে যে তিমির পা আস্তে আস্তে ছোট হয়ে গেছে?

তাহলে তো এরকম কিছু প্রাচীন কংকাল পাওয়া যাওয়ার কথা যেসবে পায়ের হাড় অপেক্ষাকৃত বড়? এর একটা বিহিত করতেই হবে।

ঙ)

পরেরদিন আপনার প্রত্নতাত্ত্বিক বন্ধুকে নিয়ে রওনা দিলেন জীবাশ্ম বা ফসিল খুঁজতে। পেয়ে গেলেন অনেকগুলো ফসিল হয়ে যাওয়া হাড়! সেগুলো নিয়ে গেলেন জীবাশ্মবিদ আরেক বন্ধুর কাছে।

সে হাড়গুলো রিকনস্ট্রাকশন করে একটা মডেল ঠিক করে দিলো। বোঝার জন্য তিন ধরণের রঙ ব্যবহার করলো।

Image 8

শুধুমাত্র মডেলের কালো অংশগুলো সত্যিকারে হাড় থেকে আঁকা, বাকী অংশ অনুমান। তো কি দেখা গেলো, সত্যিকারেই একসময় পেছনের পা বড় ও পরিণত ছিলো!

 

Basilosaurid
Image 9: Basilosaurid

এরপর আপনি Basilosaurid এর স্কাল হাতে নিলেন। হাতে নিয়ে লক্ষ্য করলেন নাকের ছিদ্র আধুনিক তিমির মত একদম পেছনেও না, আবার স্থলচর প্রাণীদের মত সামনেও না, মাঝামাঝি জায়গায়! এবার আপনি পায়ের হাড়ের দিকে তাকালেন।

নাহ, যদিও এখনো হাঁটার উপযুক্ত না, কিন্তু আধুনিক তিমি থেকে বেশ বড়।

এখন আপনি ভাবলেন সময়ের যত পিছনে যাওয়া যাবে হয়তো তত বড় পা পাওয়া যাবে। এরপর আপনি খুঁজে পেলেন maiacetus এর ফসিল!

পরিণত পা ওয়ালা হাঁটতে সক্ষম তিমি Maiacetus এর কংকাল!
Image 10: পরিণত পা ওয়ালা হাঁটতে সক্ষম তিমি Maiacetus এর কংকাল!

এবার পা আরও বড় তাই না? এই পা দিয়ে তো অনায়াসে হাঁটতে পারার কথা!

এরপর আপনি খুঁজতে খুঁজতে ambulocetus, Indoyous, Himalayacetus সহ অসংখ্য তিমির ফসিল আবিষ্কার করলেন, এবং চমৎকার একটা ব্রীজ তৈরি করলেন, এবং দেখলেন যে চতুষ্পদী স্থলজ প্রাণী থেকে আস্তে আস্তে প্রাণীতে রুপান্তরিত হয়ে যাওয়া মনে হয় সম্ভব!

বড়টা Ambuloceutus, ছোটটা Pakicetus
Image 11: বড়টা Ambuloceutus, ছোটটা Pakicetus

ভালো কথা, আপনি আপনার এত বড় কালেকশন সংরক্ষণ করে রাখলেন উইকিপিডিয়াতে।(সোর্স)

চ)
তিমি আপনাকে খুব ভাবনায় ফেলে দিলো। আচ্ছা একই উৎস থেকে যদি উদ্ভব ঘটে তাহলে পৃথিবীর দুই প্রান্তে একইরকম টাইপের প্রাণী পাওয়া যায় কিভাবে? এটা জানার জন্য আপনি গেলেন ভূতত্ত্ববিদ ছোটভাইয়ের কাছে।

সেই ছোটভাই আপনাকে অতি চমৎকারভাবে বুঝিয়ে দিলো যে একসময় সমস্ত মহাদেশ একসাথে ছিলো। এরপর কন্টিনেন্টাল ড্রিফটের কারণে আলাদা হয়ে গেছে।

সুপার কন্টিনেন্ট "প্যানজিয়া"য় আধুনিক দেশসমূহ
Image 12: সুপার কন্টিনেন্ট “প্যানজিয়া”য় আধুনিক দেশসমূহ

এক পর্যায়ে সে একটা বেশ মজার জিনিস বললো,” ভাই ক্যাংগারু দেখছেন না? ক্যাংগারুর পেটের মধ্যে একটা থলে থাকে। এবং ক্যাংগারুর মতন অনেক প্রাণীরই পেটে থলে থাকে যেগুলোতে বাচ্চা বড় করা হয়।

অষ্ট্রেলিয়া মহাদেশ যখন আলাদা হয়ে গেল তখন দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার প্রাণীগুলো পেটের ভেতরে অমরার সাহায্যে বড় করতে লাগলো, ওদিকে অষ্ট্রেলিয়ায় যারা গেলো তারা পেটের বাইরে থলের মধ্যে, যাদেরকে বলা হয় মারসুপিয়াল। আপনি এই ছবিটা দেখেন, প্লাসেন্টাল আর তাঁদের মারসুপিয়াল কাউন্টারপার্ট!”

ছ)
এই পর্যায়ে এসে আপনার মাথা ঝিমঝিম করা শুরু হলো।

জিন নিয়ে গবেষণা করে এরকম এক ছোটবোনের ল্যাবে গেলেন। আপনি তাঁকে বললেন জিনোম সিকুয়েন্সিং করে বের করে দাও তো তিমির জিনের সাথে কার জিনের সবচেয়ে মিল!

কারন হাড়, ভ্রুণ, শরীরতত্ত্ব না দেখেই আপনি শুধুমাত্র জিনোম সিকুয়েন্সিং এর মাধ্যমেই অনেক কিছু বলে দিতে পারবেন!

Image 13

তো আপনি মাছ, সী-লায়নসহ অনেক কিছুর সাথেই তুলনা করলেন। কিন্তু একী ভাণুমতি! একী ঈন্দ্রজাল! সবচেয়ে বেশি মিল পেয়ে গেলেন জলহস্তীর সাথে! এ কিভাবে সম্ভব!

তাহলে কি এমনটা হয়েছে একই পূর্বপুরুষ থেকে জলহস্তী আলাদা হয়ে গেছে? এখন আপনি খুঁজে দেখা শুরু করলেন কি কি বাহ্যিক মিল পাওয়া যায়!

আপনি দেখলেন হাঁটতে সক্ষম বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাচীন Rodhocetus তিমির বিশেষায়িত এঙ্কেল বোনের সাথে সবচেয় বেশি মিল পাওয়া যায় আধুনিক জলহস্তীর!

Image 14

তিমির মতই জলহস্তী পানির নীচে বাচ্চা জন্ম দেয় এবং বেশিরভাগ সময় পানিতেই লালন-পালন করে! তিমি ও জলহস্তীর পাকস্থলি প্রায় একইরকম দেখতে। এবং পৃথিবীতে পাওয়া সকল স্তন্যপায়ী প্রানীদের মধ্যে অল্প কিছু প্রাণীর শুক্রাশয় দেহের ভেতরে থাকে, তাদের দুটি হচ্ছে তিমি ও জলহস্তী!

Image 15

জ)
আপনার মাথা ঘুরছে এখন। এখন আপনি চিন্তা করলেন যে পরীক্ষা করে দেখবেন যে আসলেই এরকম হওয়া সম্ভব কি না!

কিন্তু আপনি তো আর লক্ষ লক্ষ বছর বাঁচতে পারবেন না। সে কারণে জীবনচক্র খুব ছোট এরকম একটা প্রাণী নিলেন, drosophila melanogaster নামের কিছু মাছি। এরপর ভীন্ন পরিবেশে, ভীন্ন তাপমাত্রায় প্রায় একশোটা প্রজন্ম প্রজনন করলেন!

একশো প্রজন্ম পর উভয় জনগোষ্ঠীকে একসাথে নিয়ে আসলেন। অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন এদের মধ্যে অনেক ভীন্নতা চলে এসেছে, দৈহিক গঠন, আচার-ব্যবহার, প্রজননে!

ঝ)
আপনি এই ব্যাপারটা নিয়ে আলাপ করতে গেলেন বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ করে এরকম এক বন্ধুর কাছে। দেখলেন তার ল্যাবে ফ্রীজ ভর্তি শুধু ড্রসোফিলা আর ড্রসোফিলা।

আরেকদিকে রাইস কুকারে ড্রসোফিলার খাবার রান্না হচ্ছে। বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা তোমরা ড্রসোফিলা নিয়ে এত গবেষণা করছো কেন? কি করতে চাও? তোমরা করবা মানুষের চিকিৎসা নিয়ে রিসার্চ, এখানে মাছির কাজ কি?

আপনার বন্ধু তখন হেসে উত্তর দিলো, “বন্ধু, জীবন্ত মানুষ ধরে এনে এক্সপেরিমেন্ট করা সম্ভব?

ড্রসোফিলাকে বলা হয় জেনেটিক ওয়ার্কহাউজ। শুনলে হাসবা জানি, কই মানুষ আর কই মাছি! কিন্তু অনেক আলাদা হলেও অনেক মৌলিক মেকানিজম দুটো প্রাণীতেই একই।

সেসব মাছির উপরে প্রয়োগ করে সেগুলো মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। বিজ্ঞানী হারমান মুলার ড্রসোফিলার উপরে গবেষণা করে বের করেন যে এক্স রে মিউটেশন রেট অনেক বাড়িয়ে দেয় যেটা অনেক ক্ষতিকর।

মাছিগুলোকে স্বাভাবিক দেখা গেলেও পরবর্তী প্রজন্মতে জেনেটিক ডিফেক্ট দেয়, ঠিক একই রকম ইফেক্ট পড়ে মানুষের শরীরে।

এজন্য ১৯৪৬ সালে তিনি নোবেল পুরুষ্কার পান চিকিৎসাবিজ্ঞানে। এরপরে আরও বেশ কয়েকজন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরুষ্কার পান ড্রসোফিলার উপর গবেষণা করে এবং ফাইন্ডিংসগুলো মানবদেহে সফলভাবে প্রয়োগ করে।

ঞ)
আপনি এখন সাধারণ মানুষের অসাধ্য একটা মিশন হাতে নিলেন।আপনি ঠিক করলেন পৃথিবীতে যত ফসিল আছে সব খুঁজে বের করবেন। অনেক খেঁটেখুঁটে অসংখ্য ফসিল জোগাড় করলেন। এখন প্রত্যেকটা ফসিলের রেডিওএক্টিভ ডেটিং করলেন। সবগুলো ফসিল বয়স অনুসারে সিরিয়ালি সাজালেন।

Image 16

আপনি অবাক হয়ে দেখলেন ২ বিলিয়ন বছর আগের কোন ইউক্যারিয়ট কোষ নেই! ৫৫০ মিলিয়ন বছর আগে পোকামাকড় ছাড়া অন্য কোন প্রাণীই খুঁজে পেলেন না! ৫০০ মিলিয়ন বছর আগে যা মেরুদন্ডী প্রাণী যা পেলেন সব মাছ!

সবচেয়ে পুরনো স্তন্যপায়ী প্রাণী পেলেন মাত্র ২০০ মিলিয়ন বছর আগে। আপনি মাথা চুলকাতে লাগলেন। এরকম অদ্ভূত কেন? টাইমলাইনে যতই অতীতে যাওয়া হচ্ছে ততই প্রাণ সরলতর হচ্ছে।

২০০ মিলিয়ন বছরের বেশি বয়সী একটাও কি স্তন্যপায়ী প্রাণী পাওয়া যাবে না? কিংবা ৫৫০ মিলিয়ন বছর আগে একটা সিংগেল মেরুদন্ডী প্রাণী? আপনি শপথ নিলেন যে পর্যন্ত না ৫৫০ মিলিয়ন বছর বয়সী একটাও মেরুদন্ডী প্রাণী না পাওয়া যায় সে পর্যন্ত খুঁজতেই থাকবেন, খুঁজতেই থাকবেন…..

ট)
আপনার মাথা বনবন করে ঘুরছে এখন, ভীষণ ক্লান্ত আপনি। ৫৫০ মিলিয়ন বছর আগের মেরুদন্ডী প্রাণীর ফসিল কোথাও খুঁজে পাননি। তখন চিন্তা করতে লাগলেন, আচ্ছা এত দৌড়াদৌড়ি করে যে এত তথ্য পেলেন, সবগুলোকে কি এক সূত্রে বাঁধা যায়?

আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আবার খুব মনযোগ দিয়ে আপনার ফাইন্ডিংসগুলো দেখলেন এবং ভাবলেন। অনেকক্ষণ ভেবে ভেবে এই সীদ্ধান্তে উপনীত হলেন………

না থাক……সীদ্ধান্ত একান্তই আপনার। আমি সীদ্ধান্ত নিয়ে দেয়ার কে?

লিখাঃ মনজুরুল ইসলাম রিফাত

আরো পড়তে পারেন

Invest in Social

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *